লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি,
নোয়াখালী -চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের লক্ষ্মীপুর অংশের বিভিন্ন স্থানে রাস্তার কার্পেটিং তুলে ইতিহাসে লিংক করার ঘটনা নিয়ে পরিবহন মালিক শ্রমিক অসাধারণ জনমনে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, নোয়াখালী টু চাঁদপুর আঞ্চলিক সড়কের লক্ষ্মীপুর জেলার ৩৬ কিলোমিটার অংশ জুড়ে খাদা খন্দক হয়ে যান চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। সড়ক বিভাগের পক্ষ থেকে সড়টি পুনঃ নির্মাণ না করে দীর্ঘ দিন ধরে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ইটের খোয়া ও বালি দিয়ে ভরাট করে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চালিয়ে গেলেও সম্প্রতি ঠিকাদারের মাধ্যমে সড়কটির বিভিন্ন স্থানের কার্পেটিং তুলে ফেলে ইটের সলিং করা হচ্ছে। এই আশ্চর্যজনক ঘটনায় এ সড়কে চলাচলকারী পরিবহন মালিক, শ্রমিক ও যাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে। এই সড়কটির নোয়াখালী অংশে একইভাবে খাদাখদুক সৃষ্টি হওয়ার পর নোয়াখালী সড়ক বিভাগ সড়কটির পূনঃ নির্মাণ করে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনলেও লক্ষ্মীপুর সড়ক বিভাগ সড়কটি সংস্কার না করে ইটের খোয়া ও বালি দিয়ে খাদাখন্দক ডেকে দেওয়ার কাজ চালিয়ে গেছে। এতে একদিন দুদিন পর ইটের খোয়া ও বালি সরে গিয়ে একই খাদা খদ্দক আবার দেখা দিচ্ছে।
সম্প্রতি সড়ক বিভাগ ঠিকাদারের মাধ্যমে সড়কের মান্দারী বাজারের পশ্চিম পাশে, জকসিন বাজারে ও শহরের ইসলাম মার্কেটের সামনে সড়কের কার্পেটিং তুলে নিয়ে ইটের সলিং করে যাচ্ছে। গত এক সপ্তাহ আগে জকসিন বাজার এলাকায় ইটের সলিংয়ের কাজ সম্পন্ন করার পর বাড়ি যান বাহন চলাচল করার কারণে সলিগের ইট গুলোর বেশির ভাগ ইটই গুড়ো হয়েগেছে।
অপরদিকে ইটের খোয়া ও বালির কারণে পুরো সড়ক জুড়ে ধুলো হয়ে পড়েছে। এতে মোটরসাইকেল সহ খোলা যানবহন নিয়ে এ সড়কে যাতায়াত দুর্বিসহ ও দুরহ হয়ে পড়েছে।
এ সড়কে চাঁদপুর – নোয়াখালী যাতায়াতকারি
আনন্দ পরিবহন নামের লোকালবাসের চালক মোহাম্মদ হোসেন খবরের কাগজকে বলেন, নোয়াখালী -চাঁদপুর আঞ্চলিক সড়কটি , সড়কটি দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক।
এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন খুলনা থেকে চট্টগ্রাম, ভোলা থেকে চট্টগ্রাম, কুমিল্লা -ঢাকা রুটে কয়েক হাজার যানবাহন চলাচল করে থাকে।
এ সড়কে প্রতিদিন শত শত ভারী যানবাহন চলাচল করে থাকে। চাঁদপুর সড়ক বিভাগ ও নোয়াখালী সড়ক বিভাগ সড়কের মেরামত করে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনলেও লক্ষ্মীপুর সড়ক বিভাগ সড়কটি সংস্কাকার না করে ইটের সলিং করে রং তামাশা করছে। পাশাপাশি সরকারের টাকা লোপাট করছে। 
মোঃ স্বপন নামের একজন সিএনজি অটোরিকশা চালক খবরের কাগজ কে বলেন, পুরো সড়ক জুড়ে খাদা খন্দকের কারণে এই সড়কে গাড়ী চালানো সম্ভব হয়না। সড়ক বিভাগ সড়কটি মেরামত না করে ইটেস্র সলিং করে রং তামাশা করছে।
সোনালী ব্যাংক লক্ষ্মীপুর শাখার কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইউসুফ খবরের কাগজ কে বলেন, প্রতিদিন তিনি এই সড়কে ৩৪ কিলোমিটার যাতায়াত করছেন। সড়কে খাদাখন্দক এবং ধুলোবালির কারণে তিনি তাকে প্রায়ই অসুস্থ থাকতে হচ্ছে।
লক্ষ্মীপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মম জহিরুল ইসলাম খবরের কাগজ কে বলেন, সড়ক বিভাগ নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সড়কটি মেরামত করে যাচ্ছে। ফলে সড়কটিতে বর্তমানে খাদা খন্দক নেই।
সড়কটির কয়েকটি স্থানে বৃষ্টির পানি জমে যায়। স্থানগুলোতে ইটের সোলিং করা হচ্ছে।
কত মিটার বা কিলোমিটার সড়ক ইটের সলিং করা হবে এবং এ জন্য কত টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে তা তিনি জানাতে পারেননি।
ছবির ক্যাপশনঃ লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার জকসিন বাজার এলাকায় আঞ্চলিক মহাসড়কে ইটের সোলিং করা হচ্ছে।

৩৭.১৯°সে