খাল খননের মাধ্যমে জলবদ্ধতা দূর হবে, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে
——লক্ষ্মীপুরে পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি

oplus_131072

oplus_131072
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি,
পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এমপি বলেছেন সরকারের খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে এলাকার জলাবদ্ধতা দূর হবে, খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বেকারত্ব দূর হবে।
তিনি শনিবার সকালে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার উত্তর জয়পুর ইউনিয়নের বেলতলায় দেবীনগর -রাজাপুর খাল পুনঃ খনন উদ্বোধন শেষে আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য আরো বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালে খাল খনন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এ দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে তুলেছিলেন। পরবর্তী সরকারগুলোর এ ব্যাপারে উদাসীনতা দেখিয়ে গেছেন। ফলে অধিকাংশ খালই ভরাট হয়ে গেছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আবারো খাল খনন কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন।
আমরা রহমতখালী খাল ও ওয়ারদার খাল এবং ভুলুয়া নদী সহ জেলার প্রধান প্রধান খাল গুলো খননের মাধ্যমে লক্ষ্মীপুর জেলাকে জলাবদ্ধতা ও পানি শূন্যতার হাত থেকে রক্ষা করব। এতে লক্ষ্মীপুরে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। পানি শূন্যতা দূর হবে।মৎস্য চাষ হবে। কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে।
জেলা প্রশাসক এসএম মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে আয়োজিত সুধী সমাবেশ বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন লক্ষ্মীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রায়হান কাজমি। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কোওয়াই থ্রু মারমা।স্বর্ণগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি বিপি বেলাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক এম ইউসুফ ভূঁইয়া। উত্তর জয়পুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বাবুল মাস্টার। হাজিরপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি আব্দুস শহীদ প্রমুখ।
অতি দরিদ্র পুনর্বাসন কর্মসূচি (ইজিপিপি) প্রকল্পের আওতায় ১ কোটি ৯ লাখ টাকা ব্যায়ে লক্ষ্মীপুর লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার উত্তর জয়পুর থেকে হাজিরপাড়া ইউনিয়নের ইউসুফপুর রহমত খালি খাল পর্যন্ত ৯ কিলোমিটার খাল খনন করা হবে। এতে ৫০০ হেক্টর জমির জলাবদ্ধতা দূর হবে। ইরি বরোধান চাষ হবে। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা ফিরে আসবে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

৩০.১৮°সে